Jossore

যশোর

১৭৮১ সালে যশোর একটি পৃথক জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং এটিই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম জেলা। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রথম স্বাধীন হওয়া জেলাটি যশোর। যশোর, সমতটের একটা প্রাচীন জনপদ। নামটি অতি পুরানো। যশোর নামের উৎপত্তি সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত পাওয়া যায়। যশোর (জেসিনরে) আরবি শব্দ যার অর্থ সাকো। অনুমান করা হয় কসবা নামটি পীর খানজাহান আলীর দেওয়া (১৩৯৮ খৃঃ)। এককালে যশোরের সর্বত্র নদী নালায় পরিপূর্ণ ছিল। পূর্বে নদী বা খালের উপর সাকো নির্মিত হতো। খানজাহান আলী বাঁশের সাকো নির্মাণ করে ভৈরব নদী পার হয়ে মুড়লীতে আগমন করেন বলে জানা যায়। এই বাঁশের সাকো থেকে যশোর নামের উৎপত্তি। তবে এই মতে সমর্থকদের সংখ্যা খুবই কম। ইরান ও আরব সীমান্তে একটি স্থানের নাম যশোর যার সাথে এই যশোরের কোন সম্পর্ক স্থাপন করা যায় না। খানজাহান আলীর পূর্ব থেকেই এই যশোর নাম ছিল। অনেকে অভিমত ব্যক্ত করেন যে, প্রতাপদিত্যের পতনের পর চাঁচড়ার রাজাদের যশোরের রাজা বলা হত। কেননা তারা যশোর রাজ প্রতাপাদিত্যের সম্পত্তির একাংশ পুরস্কার স্বরূপ অর্জন করেছিলেন। এই মতও সঠিক বলে মনে হয়। জে, ওয়েস্টল্যাণ্ড তাঁর যশোর প্রতিবেদনের ১৯৩ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন, রাজা প্রতাপাদিত্য রায়ের আগে জেলা সদর কসবা মৌজার অর্ন্তভুক্ত ছিল। বনগাঁ-যশোর পিচের রাস্তা ১৮৬৬-১৮৬৮ কালপর্বে তৈরী হয়। যশোর-খুলনা ইতিহাসের ৭৬ পাতায় লেখা আছে “প্রতাপাদিত্যের আগে লিখিত কোন পুস্তকে যশোর লেখা নাই”। সময়ের বিবর্তনে নামের পরিবর্তন স্বাভাবিক।

 

বিখ্যাত খাবার:

খই

খেজুর গুড়

জামতলার মিষ্টি

 

বিখ্যাত স্থান:

ফুলের হাট গদখালি The Capital City of flower in Bangladesh, Godkhali,

সাগরদাড়ী, কবি মধুসুদনের বাড়ি

কেশবপুরের হনুমান গ্রাম

পাঁচ পুকুর বাগআঁচড়া

বিনোদিয়া পার্ক

যশোর বোট ক্লাব

জেস গার্ডেন পার্ক

রাজগঞ্জ বাওড়

ভবদহ বিল

গাজীর দর গাহ

যশোর বিমানবন্দর ও যশোর সেনানিবাস

গদখালি কালীবাড়ী

কেশবপুরের ভরতের দেউল

খাঞ্জালির দীঘি

মীর্জানগর হাম্মামখানা

অভয়নগরের খানজাহান আলী জামে মসজিদ

শ্রীধরপুর জমিদার বাড়ি

শার্শা কন্যাদাহের আশ্চার্য বাওড়

বেনাপোল স্থল বন্দর

গদখালি ফকির টিকা

শিমুলিয়া মিশন (সাহেব বাড়ী)

বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখের সমাধি

জগদীশপুর তুলা উন্নয়ন ও বীজ বর্ধন খামার, জগদীশপুর, চৌগাছা

হাজরাখানা পীর বলুহ দেওয়ান এর মাজার, হাজরাখানা, চৌগাছা