Jhalkathi

ঝালকাঠি

জেলার নামকরণের সঙ্গে জড়িয়ে আছে এ জেলার জেলে সম্প্রদায়ের ইতিহাস। মধ্যযুগ-পরবর্তী সময়ে সন্ধ্যা, সুগন্ধা, ধানসিঁড়ি আর বিষখালী নদীর তীরবর্তী এলাকায় জেলেরা বসতি স্থাপন করে। এর প্রাচীন নাম ছিল ‘মহারাজগঞ্জ’। মহারাজগঞ্জের ভূ-স্বামী শ্রী কৈলাশ চন্দ্র জমিদারি বৈঠক সম্পাদন করতেন এবং পরবর্তীতে তিনি এ স্থানটিতে এক গঞ্জ বা বাজার নির্মাণ করেন। এ গঞ্জে জেলেরা জালের কাঠি বিক্রি করত। এ জালের কাঠি থেকে পর্যায়ক্রমে ঝালকাঠি নামকরণ করা হয় বলে ধারণা করা হয়। জানা যায়, বিভিন্ন স্থান থেকে জেলেরা এখানে মাছ শিকারের জন্য আসত এবং যাযাবরের মতো সুগন্ধা নদীর তীরে বাস করত। এ অঞ্চলের জেলেদের পেশাগত পরিচিতিকে বলা হতো ‘ঝালো’। এরপর জেলেরা বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে এখানে স্থায়ীভাবে বসতি গড়ে তোলে। এভাবেই জেলে থেকে ঝালো এবং জঙ্গল কেটে বসতি গড়ে তোলার কারণে কাটি শব্দের প্রচলন হয়ে ঝালকাটি শব্দের উৎপত্তি হয়। পরবর্তীকালে ঝালকাটি রূপান্তরিত হয় ঝালকাঠিতে।১৯৮৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারী ঝালকাঠি পূর্ণাঙ্গ জেলার মর্যাদা লাভ করে।

 

বিখ্যাত খাবার:

লবন

আটা

 

বিখ্যাত স্থান:

সুজাবাদের কেল্লা

ঘোষাল রাজ বাড়ির ধ্বংসাবশেষ

নুরুল্লাপুর মঠ

সিভিল কোর্ট ভবন

সাতুরিয়া জমিদারবাড়ি

জীবনানন্দ দাশের মামাবাড়ি

কীর্তিপাশা জমিদারবাড়ি

গাবখান সেতু

ধানসিঁড়ি নদী

রূপসা খাল

নেছারাবাদ কমপ্লেক্স

পোনাবালিয়া মন্দির

সিদ্ধকাঠি জমিদারবাড়ি

নলছিটি পৌরভবন

মার্চেন্টস্ স্কুল

চায়না কবর

কামিনী রায়ের বাড়ি

কুলকাঠি মসজিদ

সুরিচোড়া জামে মসজিদ

শিবমন্দির

নাদোরের মসজিদ