Dhaka Division

এক নজরে ঢাকা বিভাগের দর্শনীয় স্থানের নাম
এক নজরে ঢাকা বিভাগ:
ঢাকা বিভাগ, পূর্বে ডাক্কা বিভাগ (DACCA) পূর্ব পাকিস্তান এর প্রদেশ ছিল, এটি ৪ টি সিটি কর্পোরেশেন, ১৩টি জেলা, ৫৮টি পৌরসভা, ১২৩টি উপজেলা, ১,২৩৯টি ইউনিয়ন পরিষদ, ১২,৭৬৫টি মৌজা, ৫৪৯টি ওয়ার্ড, ১,৬২৩টি মহল এবং ২৫,২৪৪টি গ্রাম নিয়ে গঠণ করা হয়েছে। (উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে)

  1. ঢাকা জেলা
    বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারন করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মোঘল যুগে। ঢাকা নামের উৎপত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট করে তেমন কিছু জানা যায় না। এ সম্পর্কে প্রচলিত মতগুলোর মধ্যে কয়েকটি নিম্নরূপঃ
    ক) একসময় এ অঞ্চলে প্রচুর ঢাক গাছ (বুটি ফুডোসা) ছিল;
    খ) রাজধানী উদ্বোধনের দিনে ইসলাম খানের নির্দেশে এখানে ঢাক অর্থাৎ ড্রাম বাজানো হয়েছিল;
    গ) ‘ঢাকাভাষা’ নামে একটি প্রাকৃত ভাষা এখানে প্রচলিত ছিল;
    ঘ) রাজতরঙ্গিণী-তে ঢাক্কা শব্দটি ‘পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র’ হিসেবে উল্লেখিত হয়েছে অথবা এলাহাবাদ শিলালিপিতে উল্লেখিত সমুদ্রগুপ্তের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য ডবাকই হলো ঢাকা।
    কথিত আছে যে, সেন বংশের রাজা বল্লাল সেন বুড়িগঙ্গা নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভ্রমণকালে সন্নিহিত জঙ্গলে হিন্দু দেবী দুর্গার বিগ্রহ খুঁজে পান। দেবী দুর্গার প্রতি শ্রদ্ধাস্বরূপ রাজা বল্লাল সেন ঐ এলাকায় একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। যেহেতু দেবীর বিগ্রহ ঢাকা বা গুপ্ত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাই রাজা মন্দিরের নাম ঢাকেশ্বরী মন্দির। মন্দিরের নাম থেকেই কালক্রমে স্থানটির নাম ঢাকা হিসেবে গড়ে ওঠে।আবার অনেক ঐতিহাসিকদের মতে, মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর যখন ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন, তখন সুবাদার ইসলাম খান আনন্দের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ শহরে ‘ঢাক’ বাজানোর নির্দেশ দেন। এই ঢাক বাজানোর কাহিনী লোকমুখে কিংবদন্দির রূপ ধারণ করে এবং তা থেকেই এই শহরের নাম ঢাকা হয়ে যায়। এখানে উল্লেখ্য যে, ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।
    বিখ্যাত খাবার:
    বাকরখানি
    বিরিয়ানি
    বিখ্যাত স্থান:
    ঐতিহাসিক স্থানসমূহ:
    লালবাগ কেল্লা, আহসান মঞ্জিল, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ হল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, শাঁখারিবাজার, হোসেনী দালান, ছোট কাটরা, বড় কাটরা, কার্জন হল, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ভবন (পুরাতন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলা ভবন), ঢাকেশ্বরী মন্দির, তারা মসজিদ, মীর জুমলা গেট, পরীবিবির মাজার পার্ক,
    বিনোদন ও প্রাকৃতিক স্থান:
    রমনা পার্ক, বাহাদুর শাহ্‌ পার্ক- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, সোহ্‌রাওয়ার্দী উদ্যান, বোটানিক্যাল গার্ডেন, ঢাকা শিশু পার্ক, বুড়িগঙ্গা নদী, ঢাকা চিড়িয়াখানা, বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘর, বলধা গার্ডেন স্মৃতিসৌধ ও স্মারক: জাতীয় শহীদ মিনার, শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ, (রায়ের বাজার), অপরাজেয় বাংলা-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ ভাস্কর্য আসাদ গেইট
    আধুনিক স্থাপত্য:
    জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ ব্যাংক ভবন, ভাসানী নভো থিয়েটার, বসুন্ধরা সিটি, যমুনা বহুমুখী সেতু, যমুনা ফিউচার পার্ক, মেয়র হানিফ ফ্লাইওভার, হাতিরঝিল, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
    বিখ্যাত বস্তু:
    বেনারসী শাড়ি

  2. নরসিংদী জেলা
    কথিত আছে, প্রাচীনকালে এ অঞ্চলটি নরসিংহ নামক একজন রাজার শাসনাধীন ছিল। আনুমানিক পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে রাজা নরসিংহ প্রাচীন ব্যক্ষ্মপুত্র নদের পশ্চিম তীরে নরসিংহপুর নামে একটি ছোট নগর স্থাপন করেছিলেনঅ তাঁরই নামানুসারে নরসিংদী নামটি আবির্ভূত হয়। নরসিংহ নামের সাথে ‘দী’ যুক্ত হয়ে নরসিংদী হয়েছে। নরসিংহদী শব্দের পরিবর্তিত রূপই “নরসিংদী”।
    বিখ্যাত খাবার:
    সাগর কলা
    বিখ্যাত স্থান:
    ড্রিমল্যান্ড হলিডে পার্ক
    উয়ারী – বটেশ্বর
    শাহ ইরানি মাজারঃ বেলাব উপজেলার পাটুলি ইউনিয়নে অবস্হিত
    ভাই গিরিশ চন্দ্র সেনের বাস্তুভিটাঃ পাঁচদোনা বাজার সংলগ্ল বুড়ারহাট গ্রামে
    নরসিংদীতে ঐতিহ্যবাহী তিন গম্বুজ মসজিদ
    সোনাইমুড়ি টেকঃ ঢাকা–সিলেট মহাসড়কের পাশে জেলার শিবপুর উপজেলায় অবস্হিত
    রাজা নরসিংহের নরসিংদী
    বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান স্মৃতি জাদুঘর
    বিখ্যাত বস্ত:
    লুঙ্গি

  3. ফরিদপুর জেলা
    ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফী সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে।সুপ্রাচীন কাল থেকেই ফরিদপুরের রয়েছে অনেক কীর্তিময় গৌরব-গাঁথা। ফরিদপুর জেলার প্রতিষ্ঠা ১৭৮৬ সালে। মতান্তরে এ জেলা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮১৫ (বাংলা পিডিয়া)। এর আয়াতন ২০৭২.৭২ বর্গ কিলেমিটার। উত্তরে রাজবাড়ী এবং মানিকগঞ্জ জেলা, পশ্চিমে নড়াইল, মাগুরা. দক্ষিণে গোপালগঞ্জ জেলা পূর্বে ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ এবং মাদারীপুর জেলা। ফরিদপুর জেলায় মোট পৌরসভা ৪টি, ওয়ার্ড ৩৬টি, মহল্লা ৯২টি, ইউনিয়ন ৭৯টি, গ্রাম ১৮৫৯টি। মোট উপজেলা ৯টি। সেগুলো হচ্ছেঃ ফরিদপুর সদর, মধুখালী, বোয়ালমারী,আলফাডাঙ্গা, সালথা, নগরকান্দা, ভাঙ্গা, সদরপুর, চরভদ্রাসন।
    বিখ্যাত খাবার:
    খেজুরের গুড়
    বিখ্যাত স্থান:
    নদী গবেষণা ইন্সটিটিউট
    টেপাখোলা সুইচ গেট
    ধলার মোড় (পদ্মার পাড়)
    রাজেন্দ্র কলেজ (সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ)
    পদ্মা বাধ
    পল্লী কবি জসীম উদ্দীন এর বাসভবন
    আটরশী বিশ্ব জাকের মঞ্জিল
    পদ্মা নদীর বালুচর,সি এন্ড বি ঘাট
    শ্রীধাম শ্রীঅঙ্গন (মন্দির)
    শেখ রাসেল শিশু পার্ক
    তালমা মোড় (গরুর খামার)
    অম্বিকা ময়দান
    ফরিদপুর জেলা জজ কোর্ট ভবন
    দীঘিরপার গায়েবী মসজিদ

     

  4. গোপালগঞ্জ জেলা
    গোপালগঞ্জ জেলা শহরের রয়েছে প্রাচীন ইতিহাস। অতীতের রাজগঞ্জ বাজার আজকের জেলা শহর গোপালগঞ্জ। আজ থেকে প্রায় শতাব্দীকাল পূর্বে শহর বলতে যা বুঝায় তার কিছুই এখানে ছিলোনা। এর পরিচিতি ছিলো শুধু একটি ছোট্ট বাজার হিসেবে। এঅঞ্চলটি মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদার রানী রাসমণির এলাকাধীন ছিলো। উল্লেখ্য রানী রাসমণি একজন জেলের মেয়ে ছিলেন। সিপাই মিউটিনির সময় তিনি একজন উচ্চ পদস্থ ইংরেজ সাহেবের প্রাণ রক্ষা করেন। পরবর্তীতে তারই পুরস্কার হিসাবে বৃটিশ সরকার রাসমণিরকে মাকিমপুর ষ্টেটের জমিদারী প্রদার করেন এবং তাঁকে রানী উপাধিতে ভূষিত করেন। রানী রাসমণির এক নাতির নাম ছিলো নব-গোপাল তিনি তাঁর স্নেহাস্পদ নাতির নাম এবং পুরানো ইতিহাসকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য নাতিন নামের ‘গোপাল’ অংশটি প্রথমে রেখে তার সাথে রাজগঞ্জের ‘গঞ্জ’ যোগ করে এ জাযগাটির নতুর নামকরণ করেন গোপালগঞ্জ। ১৯৮৪ সালে ফরিদপুর জেলার মহকুমা থেকে গোপালগঞ্জ জেলা সৃষ্টি হয়।
    বিখ্যাত স্থান:
    বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ
    কোর্ট মসজিদ
    ওড়াকান্দি ঠাকুর বাড়ি
    জমিদার গিরীশ চন্দ্র সেনের বাড়ী
    অন্যন্যা চন্দ্র ঘাট
    গোপালগঞ্জের চান্দার বিল
    বিলরুট ক্যানেল
    শুকদেবের আশ্রম
    খানার পাড় দীঘি
    উলপুর জমিদার বাড়ী
    মধুমতি বাওড়
    সখীচরন রায়ের বাড়ি
    আড়পাড়া মুন্সিবাড়ী
    খাগাইল গায়েবী মসজিদ
    থানা পাড়া জামে মসজিদ
    রামদিয়া চন্দ্রনাথ বসুর আশ্রম
    ৭১ এর বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ (স্মৃতিস্তম্ভ)
    শুকদেবের আশ্রম
    সর্বজনীন কালিমন্দির
    সেন্ট মথুরানাথ এজি চার্চ
    কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের পৈত্রিকবাড়ী

  5. মাদারীপুর জেলা
    মাদারীপুর জেলা একটি ঐতিহাসিক সমৃদ্ধ জনপদ ছিল। পঞ্চদশ শতাব্দীতে সাধক হযরত বদরুদ্দিন শাহ মাদার (র) এর নামানুসারে এই জেলার নামকরণ করা হয়। প্রাচীনকালে মাদারীপুরের নাম ছিল ইদিলপুর। ১৯৮৪ সালে মাদারীপুর জেলা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
    বিখ্যাত খাবার:
    খেজুর গুড়
    রসগোল্লা
    বিখ্যাত স্থান:
    ঐতিহ্যবাহী শকুনী দীঘি
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়ি
    সেনাপতির দিঘি
    রাজা রামমোহন রায়ের বাড়ি
    গনেশ পাগলের সেবাশ্রম
    পর্বত বাগান
    হযরত শাহ মাদারের দরগাহ
    আলগী কাজি বাড়ি মসজিদ
    রাজা রাম মন্দির
    ঝাউদি গিরি
    আউলিয়াপুর নীলকুঠি
    মিঠাপুর জমিদার বাড়ি
    প্রণব মঠ, বাজিতপুর
    মঠের বাজার মঠ, খোয়াজপুর
    খালিয়া শান্তিকেন্দ্র
    মাদারীপুর স্পিনিং মিলস
    চরমুগরিয়া (প্রাচীন বন্দর ও বানরের রাজ্য)

  6. শরীয়তপুর জেলা
    বৃটিশ বিরোধী তথা ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে শরীয়তপুরের নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ সালে ১লা মার্চ শরীয়তপুর জেলা শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন তথ্য মন্ত্রী জনাব নাজিম উদ্দিন হাসিম।
    বিখ্যাত খাবার:
    বিবিখানা পিঠা
    বিখ্যাত স্থান:
    সুরেশ্বর দরবার শরীফ – নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর
    বুড়ির হাট মসজিদ – ডামুড্যা উপজেলার বুড়ির হাট
    বুড়ির হাট মুন্সী বাড়ী – ডামুড্যা উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়ন
    লাকার্তা শিকদার বাড়ি – ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও ইউনিয়ন
    পন্ডিতসার
    রুদ্রকর মঠ – সদর উপজেলার রুদ্রকর ইউনিয়ন
    মগর
    শিবলিঙ্গ – নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর ইউনিয়ন
    মহিষারের দীঘি – দক্ষিণ বিক্রমপুর
    রাজনগর
    কুরাশি
    হাটুরিয়া জমিদার বাড়ি – গোসাইরহাট উপজেলা
    রাম সাধুর আশ্রম – নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়ন
    মানসিংহের বাড়ী – নড়িয়া উপজেলায় ফতেজংগপুর
    ধানুকার মনসা বাড়ি
    মডার্ন ফ্যান্টাসি কিংডম-নড়িয়ার কেদারপুর ইউনিয়নের কলুকাঠি নামক গ্রামে এটি আবস্তিত।এখানে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মাছের একুরিয়াম ।তাছারা এখানে চিড়িয়াখানা সহ শিশুদের বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা রয়েছে।শরীয়তপুর জেলার একমাত্র বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে সকলের কাছে পরিচিত।

  7. রাজবাড়ী জেলা
    রাজা সূর্য্য কুমারের নামানুসারে রাজবাড়ীর নামকরণ করা হয়। রাজা সূর্য্য কুমারের পিতামহ প্রভুরাম নবাব সিরাজ-উদ-দৌলার রাজকর্মী থাকাকালীন কোন কারণে ইংরেজদের বিরাগভাজন হলে পলাশীর যুদ্ধের পর লক্ষীকোলে এস আত্মগোপন করেন। পরে তাঁর পুত্র দ্বিগেন্দ্র প্রসাদ এ অঞ্চলে জমিদারী গড়ে তোলেন। তাঁরই পুত্র রাজা সূর্য্য কুমার ১৮৮৫ সালে জনহিতকর কাজের জন্য রাজা উপাধি প্রাপ্ত হন। ১৯৮৪ সালে ১মার্চ জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হয়
    বিখ্যাত খাবার:
    চমচম
    খেজুরের গুড়
    বিখ্যাত স্থান:
    কল্যাণ দীঘি
    গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট
    শাহ পাহলেয়ানের মাজার
    নলিয়া জোড় বাংলা মন্দির
    মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতিকেন্দ্র
    গোদার বাজার ঘাট
    নীলকুঠি
    রথখোলা সানমঞ্চ
    জামাই পাগলের মাজার
    দাদ্শী মাজার শরীফ
    সমাধিনগর মঠ (অনাদি আশ্রম

  8. গাজীপুর জেলা
    বিলু কবীরের লেখা ‘বাংলাদেশের জেলা : নামকরণের ইতিহাস’ বই থেকে জানা যায়, মহম্মদ বিন তুঘলকের শাসনকালে জনৈক মুসলিম কুস্তিগির গাজী এ অঞ্চলে বসতি স্থাপন করেছিলেন এবং তিনি বহুদিন সাফল্যের সঙ্গে এ অঞ্চল শাসন করেছিলেন। এ কুস্তিগির/পাহলোয়ান গাজীর নামানুসারেই এ অঞ্চলের নাম রাখা হয় গাজীপুর বলে লোকশ্রুতি রয়েছে। আরেকটি জনশ্রুতি এ রকম সম্রাট আকবরের সময় চবি্বশ পরগনার জায়গিরদার ছিলেন ঈশা খাঁ। এই ঈশা খাঁরই একজন অনুসারীর ছেলের নাম ছিল ফজল গাজী। যিনি ছিলেন ভাওয়াল রাজ্যের প্রথম ‘প্রধান’। তারই নাম বা নামের সঙ্গে যুক্ত ‘গাজী’ পদবি থেকে এ অঞ্চলের নাম রাখা হয় গাজীপুর। গাজীপুর নামের আগে এ অঞ্চলের নাম ছিল জয়দেবপুর। এ জয়দেবপুর নামটি কেন হলো, কতদিন থাকল, কখন, কেন সেটা আর থাকল না_ সেটিও প্রাসঙ্গিক ও জ্ঞাতব্য। ভাওয়ালের জমিদার ছিলেন জয়দেব নারায়ণ রায় চৌধুরী। বসবাস করার জন্য এ জয়দেব নারায়ণ রায় চৌধুরী পীরাবাড়ি গ্রামে একটি গৃহ নির্মাণ করেছিলেন। গ্রামটি ছিল চিলাই নদীর দক্ষিণ পাড়ে। এ সময় ওই জমিদার নিজের নামের সঙ্গে মিল রেখে এ অঞ্চলটির নাম রাখেন ‘জয়দেবপুর’ এবং এ নামই বহাল ছিল মহকুমা হওয়ার আগ পর্যন্ত। যখন জয়দেবপুরকে মহকুমায় উন্নত করা হয়, তখনই এর নাম পাল্টে জয়দেবপুর রাখা হয়। উল্লেখ্য, এখনো অতীতকাতর-ঐতিহ্যমুখী স্থানীয়দের অনেকেই জেলাকে ‘জয়দেবপুর’ বলেই উল্লেখ করে থাকেন। গাজীপুর সদরের রেলওয়ে স্টেশনের নাম এখনো ‘জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন’। তবে বিস্তারিত আলোচনায় গেলে বলতেই হয়, গাজীপুরের আগের নাম জয়দেবপুর এবং তারও আগের নাম ভাওয়াল। গাজীপুরকে ১৯৮৪খ্রিস্টাব্দের ১ মার্চ জেলা এবং ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ৭ জানুয়ারী রোজ: সোমবার সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা করা হয়।
    বিখ্যাত খাবার:
    কাঁঠাল
    পেয়ারা
    বিখ্যাত স্থান:
    ভাওয়াল রাজবাড়ী
    নুহাশ পল্লী
    জাগ্রত চৌরঙ্গী
    ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী
    ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান
    আনসার একাডেমী, সফিপুর
    নাগবাড়ী, চান্দনা, চৌরাস্তা।
    নাগরী, পাঞ্জুরা চার্চ
    রাংগামাটিয়া, তুমিলিয়া, কালীগঞ্জ
    বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক
    মনপুর়া পার্ক, কাশিমপুর,গাজীপুর
    নাগরী টেলেন্টিনুর সাধু নিকোলাসের গীর্জা
    সিঙ্গার দীঘি (পাল রাজাদের রাজধানী নগরী)

  9. মানিকগঞ্জ জেলা
    মূরত সংস্কৃত ‘মানিক্য’ শব্দ থেকে মানিক শব্দটি এসেছে। মানিক হচ্ছে চুনি পদ্মরাগ। গঞ্জ শব্দটি ফরাসী। মানিকগঞ্জের নামের ঋৎপত্তি ইতিহাস আজও রহস্যবৃত। অষ্টাদশ শতকের প্রথমার্ধে সুফি দরবেশ মানিক শাহ সিংগাইর উপজেলার মানিকনগরে আসেন এবং খানকা প্রতিষ্ঠা করে ইসলাম ধর্ম প্রচার শুরু করেন।কারও মতে দূর্ধর্ষ পাঠান সর্দার মানিক ঢালীর নামানুসারে মানিকগঞ্জ নামের উৎপত্তি। আবার কারো মতে, নবাব সিরাজ উদ-দৌলার বিশাবাস ঘাতক মানিক চাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বরূপ তার নমানুসারে ১৮৪৫ সালের মে মাসে মানিকগঞ্জ মহকুমার নামকরণ হয়। মানিকগঞ্জ মহকুমার নামকরণ সম্পর্কীত উল্লেখ্য তিনটি পৃথক স্থানীয় জনশ্রুতি এবং অনুমান নির্ভর। এর কোন ঐতিহাসিক ভিত্তি পাওয়া যায়নি, তবে মানিক শাহের নামানুসারে মানিকগঞ্জ মহকুমার নামকরণ সম্পর্কীত জনশ্রুতি এবং ঘটনা প্রবাহ থেকে যে চিত্র পাওয়া যায় তাই সঠিক বলে ধরা হয়।
    বিখ্যাত খাবার:
    খেজুর গুড়
    বিখ্যাত স্থান:
    তেওতা জমিদারবাড়ি
    বালিয়াটি প্রাসাদ
    তেওতা নবরত্ন মঠ
    মানিকগঞ্জের মত্তের মঠ
    রামকৃষ্ণ মিশন সেবাশ্রম
    শিব সিদ্ধেশ্বরী মন্দির
    শ্রী শ্রী আনন্দময়ী কালীবাড়ি
    গৌরাঙ্গ মঠ
    নারায়ণ সাধুর আশ্রম
    মাচাইন গ্রামের ঐতিহাসিক মাজার ও পুরনো মসজিদ
    বাঠইমুড়ি মাজার
    আরিচা ঘাট
    প্রশিকা মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্র, কৈট্টা, সাটুরিয়া
    শহীদ রফিক স্মৃতি যাদুঘর, সিঙ্গাইর
    কবিরাজ বাড়ী
    ঈশ্বর চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়, সাটুরিয়া

  10. মুন্সীগঞ্জ জেলা
    মুন্সিগঞ্জে প্রাচীন নাম ছিল ইদ্রাকপুর। মোঘল শাসনামলে এই ইদ্রাকপুর গ্রামে মুন্সী হায়দার হোসেন নামে একজন ব্যক্তি ছিলেন। তিনি মোঘল শাসক দ্বারা ফৌজদার নিযুক্ত ছিলেন। অত্যন্ত সজ্জন ও জনহিতৈষী মুন্সী হায়দার হোসেনের নামে ইদ্রাকপুরের নাম হয় মুন্সীগঞ্জ। কারো কারো মতে জমিদার এনায়েত আলী মুন্সীর নামানুসারে মুন্সীগঞ্জে নামকরণ করা হয়
    বিখ্যাত খাবার:
    ভাগ্যকুলের মিষ্টি
    বিখ্যাত স্থান:
    বল্লাল সেনের দীঘি
    হরিশ্চন্দ্র রাজার দীঘি
    রাজা শ্রীনাথের বাড়ি
    রামপাল দীঘি
    কোদাল ধোয়া দীঘি
    শ্রীনগরের শ্যামসিদ্ধির মঠ
    সোনারংয়ের জোড়া মঠ
    হাসারার দরগাহ
    ভাগ্যকূল রাজবাড়ি
    রাঢ়ীখালে জগদীশচন্দ্র বসুর বাড়ি
    কুসুমপুরে তালুকদার বাড়ি
    মসজিদ তাজপুর
    মসজিদ পাথরঘাটা
    মসজিদ কাজীশাহ
    মসজিদ পোলঘাটার
    ব্রিজ পাঁচ পীরের দরগাহ
    সুখবাসপুর দীঘি
    শিকদার সাহেবের মাজার
    বার আউলিয়ার মাজার
    শহীদ বাবা আদমের মসজিদ
    ইদ্রাকপুর কেল্লা
    অতীশ দীপঙ্করের পন্ডিতভিটা
    হরগঙ্গা কলেজ গ্রন্থাগারে কলেজের প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ গাঙ্গুলীর আবক্ষ মার্বেল মূর্তি
    পদ্মা রিসোর্ট

  11. নারায়ণগঞ্জ জেলা
    ১৭৬৬ সালে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা বিকন লাল পান্ডে(বেণু ঠাকুর বা লক্ষীনায়ায়ণ ঠাকুর) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির নিকট থেকে এ অঞ্চলের মালিকানা গ্রহণ করে। তিনি প্রভু নারায়ণের সেবার ব্যয়ভার বহনের জন্য একটি উইলের মাধ্যমে শীতলক্ষা নদীর তীরে অবস্থিত মার্কেটকে দেবোত্তর সম্পত্তি হিসেবে ঘোষণা করেন। তাই পরবর্তীকালে এ স্থানের নাম হয় নারায়ণগঞ্জ।
    বিখ্যাত খাবার:
    রসমালাই
    বিখ্যাত স্থান:
    বারদী লোকনাথ আশ্রম
    সোনারগাঁও যাদুঘর
    তাজমহল, সোনারগাঁও
    পানাম নগর
    জিন্দা পার্ক
    চৌদ্দার চর, আড়াইহাজার
    সাতগ্রাম জমিদার বাড়ী
    বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প যাদুঘর
    কদম রসুল দরগাহ
    আদমজী জুট মিল
    সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের সমাধি
    হাজী বাবা সালেহ মাজার
    সোনাকান্দা দুর্গ
    মেরি এন্ডারসন-নারায়ণগঞ্জ
    ফতুল্লা জাতীয় ক্রিকেট ষ্টেডিয়াম
    হাজীগঞ্জে ঈশা খাঁর কেল্লা
    পাঁচ পীরের দরগাহ
    লাঙ্গলবন্দ
    গোয়ালদী মসজিদ
    বিবি মরিয়মের মাজার
    রাসেল পার্ক

  12. টাঙ্গাইল জেলা
    টাঙ্গাইলের নামকরণ বিষয়ে রয়েছে বহুজনশ্রুতি ও নানা মতামত। ১৭৭৮ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত রেনেল তাঁর মানচিত্রে এ সম্পূর্ণ অঞ্চলকেই আটিয়া বলে দেখিয়েছেন। ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দের আগে টাঙ্গাইল নামে কোনো স্বতন্ত্র স্থানের পরিচয় পাওয়া যায় না। টাঙ্গাইল নামটি পরিচিতি লাভ করে ১৫ নভেম্বর ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দে মহকুমা সদর দপ্তর আটিয়া থেকে টাঙ্গাইলে স্থানান্তরের সময় থেকে। টাঙ্গাইলের ইতিহাস প্রণেতা খন্দকার আব্দুর রহিম সাহেবের মতে, ইংরেজ আমলে এদেশের লোকেরা উচু শব্দের পরিবর্তে ‘টান’ শব্দই ব্যবহার করতে অভ্যস্ত ছিল বেশি। এখনো টাঙ্গাইল অঞ্চলে ‘টান’ শব্দের প্রচলন আছে। এই টানের সাথে আইল শব্দটি যুক্ত হয়ে হয়েছিল টান আইল। আর সেই টান আইলটি রূপান্তরিত হয়েছে টাঙ্গাইলে। টাঙ্গাইলের নামকরণ নিয়ে আরো বিভিন্নজনে বিভিন্ন সময়ে নানা মত প্রকাশ করেছেন। কারো কারো মতে, বৃটিশ শাসনামলে মোগল প্রশাসন কেন্দ্র আটিয়াকে আশ্রয় করে যখন এই অঞ্চল জম-জমাট হয়ে উঠে। সে সময়ে ঘোড়ার গাড়িছিল যাতায়াতের একমাত্র বাহন, যাকে বর্তমান টাঙ্গাইলের স্থানীয় লোকেরা বলত ‘টাঙ্গা’। বর্তমান শতকের মাঝামাঝি পর্যন্তও এ অঞ্চলের টাঙ্গা গাড়ির চলাচল স্থল পথে সর্বত্র। আল শব্দটির কথা এ প্রসঙ্গে চলে আসে। বর্তমান টাঙ্গাইল অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের নামের সাথে এই আল শব্দটির যোগ লক্ষ্য করা যায়। আল শব্দটির অর্থ সম্ভবত সীমা নির্দেশক যার স্থানীয় উচ্চারণ আইল। একটি স্থানকে যে সীমানা দিয়ে বাঁধা হয় তাকেই আইল বলা হয়। টাঙ্গাওয়ালাদের বাসস্থানের সীমানাকে ‘টাঙ্গা+আইল’ এভাবে যোগ করে হয়েছে ‘টাঙ্গাইল’ এমতটি অনেকে পোষণ করেন। আইল শব্দটি কৃষিজমির সঙ্গে সম্পৃক্ত। এই শব্দটি আঞ্চলিক ভাবে বহুল ব্যবহৃত শব্দ। টাঙ্গাইলের ভূ-প্রকৃতি অনুসারে স্বাভাবিক ভাবে এর ভূমি উঁচু এবং ঢালু। স্থানীয়ভাবে যার সমার্থক শব্দ হলো টান। তাই এই ভূমিরূপের কারণেই এ অঞ্চলকে হয়তো পূর্বে ‘টান আইল’ বলা হতো। যা পরিবর্তীত হয়ে টাঙ্গাইল হয়েছে।
    বিখ্যাত খাবার:
    চমচম
    বিখ্যাত স্থান:
    শাহ্ আদম কাশ্মিরির মাজার
    পরীর দালান
    আতিয়া মসজিদ
    খামারপাড়া মসজিদ ও মাজার
    ঝরোকা
    সাগরদীঘি
    গুপ্তবৃন্দাবন
    পাকুটিয়া আশ্রম
    ভারতেশ্বরী হোমস
    মহেড়া জমিদারবাড়ি/পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার
    মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ
    পাকুল্লা মসজিদ
    নাগরপুর জমিদারবাড়ি
    পুন্ডরীকাক্ষ হাসপাতাল
    উপেন্দ্র সরোব
    গয়হাটার মঠ
    তেবাড়িয়া জামে মসজিদ
    পাকুটিয়া জমিদারবাড়ি
    বঙ্গবন্ধু সেতু
    এলেঙ্গা রিসোর্ট
    যমুনা রিসোর্ট
    কাদিমহামজানি মসজিদ
    ঐতিহ্যবাহী পোড়াবাড়ি
    সন্তোষ
    করটিয়া সা’দত কলেজ
    বিন্দুবাসিনী বিদ্যালয়
    মধুপুর জাতীয় উদ্যান
    পীরগাছা রাবারবাগান
    ভূঞাপুরের নীলকুঠি
    শিয়ালকোল বন্দর
    ধনবাড়ি মসজিদ ও নবাব প্যালেস
    নথখোলা স্মৃতিসৌধ
    বাসুলিয়া
    রায়বাড়ী
    কোকিলা পাবর স্মৃতিসৌধ
    মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিস্তম্ভ
    মোকনা জমিদার বাড়ী
    কৃত্রিম চিড়িয়াখানা
    বিখ্যাত বস্ত:
    টাংগাইল শাড়ি

  13. কিশোরগঞ্জ জেলা
    ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে কিশোরগঞ্জ মহকুমার জন্ম হয়। মহকুমার প্রথম প্রশাসক ছিলেন মিঃ বকসেল। বর্তমান কিশোরগঞ্জ তৎকালীন জোয়ার হোসেনপুর পরগনার অন্তর্ভক্ত ছিল। অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষ দিকেও কিশোরগঞ্জ এলাকা ‘কাটখালী’ নামে পরিচিত ছিল। ইতিহাসবিদদের ধারণা ও জনশ্রুতি মতে এ জেলার জমিদার ব্রজকিশোর মতান্তরে নন্দকিশোর প্রামানিকের ‘কিশোর’ এবং তাঁর প্রতিষ্ঠিত হাট বা গঞ্জের ‘গঞ্জ’ যোগ করে কিশোরগঞ্জ নামকরণ করা হয়।
    বিখ্যাত খাবার:
    বালিশ মিষ্টি
    বিখ্যাত স্থান:
    ঈশা খাঁর জঙ্গলবাড়ি
    এগারসিন্ধুর দুর্গ
    কবি চন্দ্রাবতীর শিবমন্দির
    দিল্লির আখড়া
    শোলাকিয়া ঈদগাহ
    পাগলা মসজিদ
    ভৈরব সেতু
    হাওরাঞ্চল
    সুকুমার রায়ের বাড়ি
    জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ
    দুর্জয় স্মৃতিভাস্কর্য
    নিকলীর হাওর
    সালংকা জামে মসজিদ (পাকুন্দিয়া)
    কুতুব শাহ মসজিদ (অষ্টগ্রাম)
    জাওয়ার সাহেব বাড়ী (তাড়াইল)
    নিরগিন শাহর মাজার
    শাহ গরীবুল্লার মজার (পাকুন্দিয়া)
    হযরত শামছুদ্দীন বোখারীর মাজার (কটিয়াদী )
    মঠখলা কালী মন্দির (পাকুন্দিয়া)
    শ্রীশ্রী শ্যাম সুন্দর লক্ষী নারায়ন জিউর আখড়া (সদর)
    প্রামাণিক বাড়ী
    গাঙ্গাটিয়া জমিদার বাড়ী
    হিলচিয়া সহয়নী বৌদ্ধ (বাজিতপুর)