Sylhet

সিলেট

প্রাচীন গ্রন্থাদিতে এ অঞ্চলকে বিভিন্ন নামের উল্লেখ্য আছে। হিন্দুশাস্ত্র অনুসারে শিবের স্ত্রী সতি দেবীর কাটা হস্ত (হাত) এই অঞ্চলে পড়েছিল, যার ফলে ‘শ্রী হস্ত’ হতে শ্রীহট্ট নামের উৎপত্তি বলে হিন্দু সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন। খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকের ঐতিহাসিক এরিয়ান লিখিত বিবরণীতে এই অঞ্চলের নাম “সিরিওট” বলে উল্লেখ আছে। এছাড়া, খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে এলিয়েনের (Ailien) বিবরণে “সিরটে”, এবং পেরিপ্লাস অব দ্যা এরিথ্রিয়ান সী নামক গ্রন্থে এ অঞ্চলের নাম “সিরটে” এবং “সিসটে” এই দুইভাবে লিখিত হয়েছে। অতঃপর ৬৪০ খ্রিস্টাব্দে যখন চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এই অঞ্চল ভ্রমণ করেন। তিনি তাঁর ভ্রমণ কাহিনীতে এ অঞ্চলের নাম “শিলিচতল” উল্লেখ করেছেন তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী দ্বারা বঙ্গবিজয়ের মধ্য দিয়ে এদেশে মুসলিম সমাজব্যবস্থার সূত্রপাত ঘটলে মুসলিম শাসকগণ তাঁদের দলিলপত্রে “শ্রীহট্ট” নামের পরিবর্তে “সিলাহেট”, “সিলহেট” ইত্যাদি নাম লিখেছেন বলে ইতিহাসে প্রমাণ মিলে। আর এভাবেই শ্রীহট্ট থেকে রূপান্তর হতে হতে একসময় সিলেট নামটি প্রসিদ্ধ হয়ে উঠেছে বলে ঐতিহাসিকরা ধারণা করেন।

এছাড়াও বলা হয়, এক সময় সিলেট জেলায় এক ধনী ব্যক্তির একটি কন্যা ছিল। তার নাম ছিল শিলা। ব্যক্তিটি তার কন্যার স্মৃতি রক্ষার্থে একটি হাট নির্মাণ করেন এবং এর নামকরণ করেন শিলার হাট। এই শিলার হাট নামটি নানাভাবে বিকৃত হয়ে সিলেট নামের উৎপত্তি হয়। ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দের ১ আগষ্ট সিলেট দেশের ষষ্ঠ বিভাগ হিসাবে মর্যাদা পায়।

 

বিখ্যাত খাবার: 

কমলালেবু

সাতকড়ার চা

আচার

 

বিখ্যাত স্থান: 

– জাফলং

– ভোলাগঞ্জ

– লালাখাল

– তামাবিল

– হাকালুকি হাওড়

– ক্বীন ব্রীজ

– হযরত শাহজালাল(রাঃ) ও হযরত শাহ পরাণ(রাঃ) এর মাজার শরীফ

– মহাপ্রভু শ্রী চৈত্যনো দেবের বাড়ী

– হাছন রাজার মিউজিয়াম

– মালনী ছড়া চা বাগান

– ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর

– পর্যটন মোটেল

– জাকারিয়া সিটি

– ড্রিমল্যান্ড পার্ক

– আলী আমজাদের ঘড়ি

– জিতু মিয়ার বাড়ী

– মনিপুরী রাজবাড়ি।

– মনিপুরী মিউজিয়াম

– শাহী ঈদগাহ

– ওসমানী শিশু পার্ক

– মাধবকুন্ড জলপ্রপাত

– সৈয়দপুর গ্রাম

– সিলেটী নাগরী লিপি

– পাংতুমাই

– রাতারগুল

– টাংগুয়ার হাওর

– লোভাছড়া

– হাম হাম জলপ্রপাত

– পরীকুন্ড ঝর্ণা

– সাতছড়ি উদ্যান

– হারং হুরং

– বরাক নদীর তিন মোহনা